পার্টনার রেজিস্ট্রি
এজেন্সি, ব্যক্তি ব্রোকার ও রেফারেল পার্টনার — চুক্তির শর্ত, টিআইএন, ব্যাংক তথ্য, মেয়াদ আর কে কোন প্রজেক্ট বিক্রির অনুমতি পেয়েছেন তা-সহ।
চ্যানেল পার্টনার
ডেভেলপারদের জন্য ব্রোকার কমিশন ব্যবস্থাপনা: পার্টনার রেজিস্ট্রি, আসল বুকিং থেকে হিসাব হওয়া স্ল্যাব রুল, প্রতিশ্রুতি নয় — আদায় অনুযায়ী জমা হওয়া কমিশন, আর AIT কর্তনসহ পেআউট রান। কোন ক্রেতা কে এনেছেন তা নিয়ে মাস শেষের তর্কটাই আর হয় না।
যেকোনো ডেভেলপারের ফিন্যান্স টিমকে জিজ্ঞেস করুন মাস শেষে সবচেয়ে বেশি সময় কোথায় যায় — চ্যানেল পার্টনার কমিশন ওপরের দিকেই থাকবে। অঙ্ক কঠিন বলে নয়, বরং তথ্যগুলো নিয়েই বিরোধ: এই ক্রেতাকে কে এনেছেন, কত রেট ঠিক হয়েছিল, ক্রেতা আদৌ যথেষ্ট টাকা দিয়েছেন কি না, আর গত কোয়ার্টারের স্ল্যাব বোনাস আগেই নিষ্পত্তি হয়েছে কি না।
লিড আসার সময়েই যদি এসব ধরা থাকে, ইনভয়েস আসার পর পুনর্গঠন করতে না হয়, তাহলে প্রতিটি প্রশ্নেরই উত্তর মেলে। এই মডিউলের পুরো নকশাটাই সেই ভিত্তিতে।
পার্টনার যুক্ত হন প্রথম যোগাযোগেই। স্ল্যাব একটি নিয়ম, স্মৃতি নয়। কমিশন জমে আদায় হওয়া টাকার সঙ্গে। আর পেআউট রান এমন বিবরণী দেয় যা প্রতিটি পার্টনার নিজের ইউনিট ধরে লাইন ধরে মিলিয়ে নিতে পারেন।
প্রতিটি লাইন ইউনিট, বুকিং আর যে আদায়ের কারণে টাকা ছাড়া হলো — সেই পর্যন্ত ট্রেস করা যায়, পাশে থাকে রেট নির্ধারণকারী স্ল্যাব রুলটিও।
চ্যানেল পার্টনার / কমিশন — Q3 পেআউট
| পার্টনার | ইউনিট | স্ল্যাব | জমা | প্রদেয় |
|---|---|---|---|---|
| নেক্সাস প্রপার্টিজ | A-4A | 2.0% | ৳ 2,66,800 | ৳ 69,200 |
| নেক্সাস প্রপার্টিজ | B-3A | 2.0% | ৳ 2,10,400 | ৳ 42,080 |
| হোমফাইন্ডার বিডি | A-6B | 2.5% | ৳ 3,04,000 | হোল্ডে |
| ব্যক্তি — সাব্বির | B-5A | 1.5% | ৳ 1,42,500 | ৳ 28,500 |
প্রদেয় = জমা × আদায় হওয়া অংশ। কোনো বুকিং টাকা দেওয়া বন্ধ করলে কমিশন জমাও বন্ধ।
পার্টনার
9
প্রদেয়
৳ 11.4 L
বিতর্কিত
0
AIT কর্তিত
৳ 1.27 L
এজেন্সি, ব্যক্তি ব্রোকার ও রেফারেল পার্টনার — চুক্তির শর্ত, টিআইএন, ব্যাংক তথ্য, মেয়াদ আর কে কোন প্রজেক্ট বিক্রির অনুমতি পেয়েছেন তা-সহ।
লিড আসার সময়েই পার্টনার বসে যায়, বুকিংয়ের সময় দাবি করা হয় না। পাল্টাপাল্টি দাবি মীমাংসা হয় কথোপকথন নয়, সময়ের হিসাব দিয়ে।
নির্দিষ্ট শতাংশ, কোয়ার্টারে ইউনিট সংখ্যার স্ল্যাব, মূল্যভিত্তিক স্ল্যাব, প্রজেক্টভিত্তিক ব্যতিক্রম ও লঞ্চ বোনাস — নিয়ম হিসেবে লেখা, তাই হিসাব বারবার একই আসে।
ক্রেতার কাছ থেকে সত্যিই আসা টাকার অনুপাতে কমিশন জমে। বুকিং টাকা দেওয়া বন্ধ করলে জমাও বন্ধ — ফেরত চাওয়ার সবচেয়ে বড় কারণটাই তাতে মিটে যায়।
প্রদেয় টাকা একসঙ্গে ব্যাচ করা, কর কর্তন, পার্টনারভিত্তিক বিবরণী তৈরি আর অ্যাকাউন্টসে পোস্ট — বিতর্কিত লাইন আটকে রাখা যায়, পুরো রান থামে না।
প্রতিটি পার্টনারের নিজের ইউনিট, জমা, ছাড়া হওয়া ও বকেয়া অঙ্ক শেয়ার করা যায় — ফলে বেশির ভাগ প্রশ্ন ইমেইল হওয়ার আগেই মিটে যায়।
কোয়ার্টারে বুক হওয়া ইউনিট সংখ্যার স্ল্যাব, একটি এজেন্সির চারটি বুকিংয়ে প্রয়োগ।
| কোয়ার্টারে বুকড ইউনিট | প্রযোজ্য রেট | কার ওপর | ফলাফল |
|---|---|---|---|
| ১–৪ ইউনিট | ২.০% | কোয়ার্টারের সব ইউনিট | ভিত্তি রেট |
| ৫–৯ ইউনিট | ২.৫% | পূর্ববর্তী ইউনিটসহ | একই কোয়ার্টারের আগের ইউনিটেও সমন্বয় |
| ১০+ ইউনিট | ৩.০% | পূর্ববর্তী ইউনিটসহ | সর্বোচ্চ স্ল্যাব |
| লঞ্চ বোনাস | +০.২৫% | লঞ্চ মাসে বুকড ইউনিট | স্ল্যাবের ওপরে যোগ হয় |
উঁচু স্ল্যাব একই কোয়ার্টারের আগের ইউনিটেও প্রযোজ্য হবে কি না — চ্যানেল পার্টনার চুক্তির সবচেয়ে বিতর্কিত ধারা এটাই। এখানে এটি একটি সেটিং, তাই প্রতি কোয়ার্টারে উত্তরটা একই থাকে।
যাবে। প্রতিটি পার্টনারের নিজস্ব নিয়ম থাকে — নির্দিষ্ট রেট, ভলিউম স্ল্যাব, মূল্য স্ল্যাব, প্রজেক্টভিত্তিক ব্যতিক্রম ও সময়সীমাবদ্ধ বোনাস — আর বুকিংয়ের সময় যে নিয়ম কার্যকর ছিল সেটিই প্রযোজ্য হয়।
ট্রিগার আপনি ঠিক করেন। প্রচলিত ব্যবস্থা হলো ক্রেতার কাছ থেকে আদায় হওয়া টাকার অনুপাতে জমা, আর নির্ধারিত সীমায় পৌঁছালে ছাড়। যে বুকিং পরে টাকা দেওয়া বন্ধ করে, তাতে কমিশন দিয়ে বসা এভাবেই ঠেকানো যায়।
জমা হওয়া কমিশন পার্টনারের হিসাবের বিপরীতে নিজে থেকেই রিভার্স হয়, আর সমন্বয়টি পরের পেআউট বিবরণীতে আসে — আলাদা করে ফেরত চাওয়ার আবেদন লাগে না।
হয়। পার্টনারের টিআইএনের বিপরীতে নির্ধারিত হারে কর কাটা হয়, পেআউট বিবরণীতে আলাদা করে দেখানো হয় এবং অ্যাকাউন্টসে পোস্ট হয় — বছর শেষে করের হিসাব আবার বানাতে হয় না।
পারবেন। প্রতিটি চক্রে পার্টনারভিত্তিক বিবরণী শেয়ার করা যায় — তাঁর ইউনিট, জমা ও ছাড়া হওয়া অঙ্ক এবং বকেয়া — ফলে বেশির ভাগ প্রশ্ন আসার আগেই মিটে যায়।
লিড তৈরির সময়েই অ্যাট্রিবিউশন বসে যায়, আর ফোন নম্বর ধরে ডুপ্লিকেট শনাক্ত হওয়ায় আগের রেকর্ডটি সামনে আসে। বিরোধ মীমাংসা হয় কে বেশি জোরে দাবি করলেন তা দিয়ে নয়, সময়ের হিসাব দিয়ে।
পরবর্তী ধাপ
একটি পার্টনার চুক্তি আর এক কোয়ার্টারের বুকিং পাঠান। স্ল্যাব মডেল করে পেআউট বিবরণী বানিয়ে দেব — আপনি যা আসলে দিয়েছিলেন তার সঙ্গে মিলিয়ে দেখুন।
৪০ মিনিট · আপনার প্রজেক্ট কাঠামো ধরে · কোনো কার্ড লাগবে না