লাইভ ইউনিট ইনভেন্টরি
প্রতিটি ফ্ল্যাট, প্লট, পার্কিং ও কমার্শিয়াল স্পেসের একটি স্ট্যাটাস — খালি, হোল্ড, বুকড, বিক্রিত, কিংবা জেভিতে মালিকের বরাদ্দ। কে কখন বদলেছে, সব লগ থাকে।
সেলস ও বুকিং
বাংলাদেশি ডেভেলপারদের জন্য ফ্ল্যাট বুকিং সফটওয়্যার: প্রতিটি প্রজেক্টের একটাই লাইভ অ্যাভেইলেবিলিটি বোর্ড, আপনার নিজের রেট ও ডিসকাউন্ট রুল মানে এমন বুকিং ফর্ম, আর ইস্যু করার সঙ্গে সঙ্গেই অ্যাকাউন্টসে বসে যায় এমন মানি রিসিট। ইউনিট, ক্রেতা, কিস্তি শিডিউল আর রিসিট — সবই একই রেকর্ড, আলাদা চারটি ফাইল নয়।
ঢাকার প্রায় সব ডেভেলপার একইভাবে শুরু করে — প্রতি প্রজেক্টে একটা এক্সেল ফাইল, সেলস অফিসের একজন সেটা রক্ষণাবেক্ষণ করেন। দ্বিতীয় প্রজেক্ট আসা পর্যন্ত, প্রথম NRB ক্রেতা আসা পর্যন্ত, কিংবা যেদিন দুই সেলসম্যান বিশ মিনিটের ব্যবধানে একই A-4A বিক্রি করে ফেলেন — সেদিন পর্যন্ত এটা চলে।
সমস্যাটা আসলে এক্সেল নয়। সমস্যা হলো একই তথ্যের চারটি আলাদা কপি — দেয়ালের অ্যাভেইলেবিলিটি চার্ট, ড্রয়ারের বুকিং ফর্ম, রিসিট বই, আর অ্যাকাউন্টসের খাতা। প্রত্যেকটা আলাদাভাবে ঠিক থাকতে পারে, অথচ একসঙ্গে মেলে না।
PropERP কপিগুলো সরিয়ে দেয়। একটি ইউনিটের স্ট্যাটাস একটাই। বুকিং করলে ক্রেতা, চুক্তিকৃত রেট, ডিসকাউন্ট অনুমোদন, পেমেন্ট শিডিউল আর রিসিট — সব একটি লেনদেনেই লেখা হয়। রিসিট থাকলে অ্যাকাউন্টসে কালেকশনও আছে। ইউনিট বুকড দেখালে দ্বিতীয় কেউ সেটা বুক করতে পারবেন না।
প্রজেক্টের প্রতিটি টাওয়ারে ফ্লোরভিত্তিক স্ট্যাটাস, আর হোল্ড নিজে থেকেই শেষ হয়ে যায় — যে ক্রেতা তিন সপ্তাহ ধরে ফোন ধরছেন না, তাঁর জন্য ইউনিট আটকে থাকে না।
সেলস / ইউনিট অ্যাভেইলেবিলিটি — গ্রিন ভ্যালি টাওয়ার
খালি
6
১২টির মধ্যে
বুকড
4
এই কোয়ার্টারে
হোল্ড
2
৪৮ ঘণ্টায় শেষ
পেমেন্ট শিডিউল তৈরি হয়েছে
প্রতিটি ফ্ল্যাট, প্লট, পার্কিং ও কমার্শিয়াল স্পেসের একটি স্ট্যাটাস — খালি, হোল্ড, বুকড, বিক্রিত, কিংবা জেভিতে মালিকের বরাদ্দ। কে কখন বদলেছে, সব লগ থাকে।
টাওয়ারভিত্তিক প্রতি বর্গফুট রেট, ফ্লোর রাইজ, কর্নার ও ফেসিং প্রিমিয়াম, পার্কিং ও ইউটিলিটি চার্জ এবং রেজিস্ট্রেশন খরচের হিসাব — কোটেশনের সময়ই হিসাব হয়ে যায়, দুই সেলসম্যান আলাদা দাম বলতে পারেন না।
ফ্লোর প্রাইসের নিচে রেট চাইলে অনুরোধ যায় অনুমোদনকারীর কাছে; অনুমোদন ছাড়া বুকিং হয় না। অনুমোদনটি বুকিংয়ের সঙ্গেই থাকে — মুখের কথায় ডিসকাউন্ট নয়।
বুকিং মানি ও ডাউন পেমেন্টে ইউনিটের বিপরীতে নম্বরযুক্ত মানি রিসিট ইস্যু হয় — বাংলা বা ইংরেজিতে, আর পেমেন্ট চ্যানেল (ব্যাংক, বিকাশ, নগদ, চেক, নগদ টাকা) লাইনেই লেখা থাকে।
প্ল্যান বাছলেই পূর্ণ শিডিউল তৈরি — বুকিং মানি, ডাউন পেমেন্ট, মাসিক কিস্তি আর হ্যান্ডওভার ব্যালান্স, প্রতিটির নিজস্ব তারিখসহ।
এনআইডি বা পাসপোর্ট, টিআইএন, স্থায়ী ও যোগাযোগের ঠিকানা, যৌথ দলিলের সহ-ক্রেতা এবং নমিনি — বুকিংয়েই একবার নেওয়া হয়, রেজিস্ট্রেশনের সময় আবার টাইপ করতে হয় না।
টাওয়ার, আয়তন, ফেসিং, ফ্লোর ও বাজেট ধরে ফিল্টার। বোর্ডে শুধু সত্যিকারের খালি ইউনিটই দেখায়।
রেট, প্রিমিয়াম, চার্জ ও পেমেন্ট প্ল্যান হিসাব হয়ে যায়। ক্রেতার ভাষায় কোটেশন পিডিএফ যায়।
ক্রেতার তথ্য, বুকিং মানি, চ্যানেল ও অনুমোদন। একই কাজেই ইউনিট বুকড হয়ে যায়।
নম্বরযুক্ত মানি রিসিট প্রিন্ট বা পাঠানো হয়, আর টাকাটা একই মুহূর্তে অ্যাকাউন্টস লেজারে বসে।
| বিষয় | প্রজেক্টভিত্তিক এক্সেল | PropERP |
|---|---|---|
| ডাবল বুকিং | কে শিট আপডেট করতে মনে রাখলেন, তার ওপর নির্ভর করে। | কাঠামোগতভাবেই অসম্ভব — ইউনিটের স্ট্যাটাস একটাই। |
| দামের সামঞ্জস্য | সেলসম্যানের কাছে রেট চার্টের কোন ভার্সন আছে তার ওপর নির্ভর করে। | এক রুল সেট থেকেই রেট, প্রিমিয়াম ও চার্জ হিসাব হয়। |
| ডিসকাউন্ট নিয়ন্ত্রণ | মুখে অনুমোদন, মাস শেষে ধরা পড়ে। | অনুরোধ, অনুমোদন ও অনুমোদনকারী বুকিংয়েই সংরক্ষিত। |
| রিসিট থেকে অ্যাকাউন্টস | রিসিট বই থেকে আবার টাইপ, সাধারণত সপ্তাহে একবার। | ইস্যুর সঙ্গে সঙ্গেই পোস্ট, একই লেনদেনে। |
| একাধিক প্রজেক্ট | ছয়টা ফাইল খুলে যোগ করতে হয়। | সব প্রজেক্টের ইনভেন্টরি ও আদায় এক জায়গায়। |
| ফাইল হস্তান্তর | যিনি রাখতেন, শিটটাও তাঁর সঙ্গেই চলে যায়। | রোল ও পারমিশন; রেকর্ড কোম্পানির কাছেই থাকে। |
যে খুঁটিনাটিগুলো ঠিক না হলে সফটওয়্যার সেলস ফ্লোরে টেকে না।
যায়। ইউনিটের স্ট্যাটাস একটাই, আর বুকিং একটি একক লেনদেনে সেই স্ট্যাটাস বদলায়। বুকড ইউনিটে দ্বিতীয় চেষ্টা বিক্রির সময়েই আটকে যায়, মাস শেষে ধরা পড়ে না। অস্থায়ী হোল্ড আপনার নির্ধারিত সময়ের পর নিজেই ছুটে যায়।
প্লটও চলে। ফ্ল্যাটের মতোই প্লট ইনভেন্টরি, তবে আয়তন কাঠা বা বিঘায়, নিজস্ব রেট রুল আর দীর্ঘমেয়াদি আদায়ের হিসাব নিয়ে। ফ্ল্যাট ও প্লট দুটোই বিক্রি হয় এমন মিশ্র প্রজেক্ট একই বোর্ডে চলে।
যাবে — মানি রিসিট, কোটেশন ও ডিমান্ড লেটার বাংলা বা ইংরেজিতে, আপনার নিজের প্যাডে, প্রয়োজন হলে বাংলা অঙ্ক ও কথায় টাকার পরিমাণসহ।
মাইগ্রেট করা হয়। বিদ্যমান ইউনিট, ক্রেতা, পরিশোধিত টাকা ও বাকি শিডিউল আমদানি করা হয়, যাতে সিস্টেম খালি ডেটাবেস দিয়ে নয়, আপনার আসল অবস্থা নিয়েই চালু হয়। এটি ইমপ্লিমেন্টেশনের সঙ্গেই একবারের কাজ হিসেবে হিসাব হয়।
বুকিং একটি মডিউল মাত্র। একই প্ল্যাটফর্মে কিস্তি আদায়, জমি ও জয়েন্ট ভেঞ্চার রেকর্ড, ব্রোকার কমিশন, অ্যাকাউন্টিং ও এইচআর আছে — তাই বুকিং দিয়ে শুরু করে সিস্টেম না বদলে বাকিগুলো চালু করা যায়।
পরবর্তী ধাপ
একটি প্রজেক্ট নিয়ে আসুন — একটি টাওয়ার, তার রেট চার্ট আর একটি চালু পেমেন্ট প্ল্যান। কলেই সেটআপ করে দেখাব, ডেমো ডেটা নয়, নিজের হিসাব দেখেই সিদ্ধান্ত নিন।
৪০ মিনিট · আপনার প্রজেক্ট কাঠামো ধরে · কোনো কার্ড লাগবে না